কমলগঞ্জে খাস ভূমি থেকে জোর পূর্বক কেটে রাখা গাছ উদ্ধার

কমলগঞ্জ প্রতিনিধি॥ কমলগঞ্জ উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের কামারছড়া বনবিট অফিস সংলগ্ন সরকারী খাস ভূমি থেকে জোরপূর্বক কেটে রাখা গাছ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তদন্তপূর্বক দায়ীদের বিরুদ্ধে বন আইনে মামলার প্রস্তুতি নিছে উপজেলা প্রশাসন।
বুধবার ১২ জুলাই সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশি অভিযানে এসব গাছ উদ্ধার করা হয়।কমলগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার সকাল থেকে জনৈক আব্দুর রশিদের নেতৃত্বে একদল প্রভাবশালী গাছ ব্যবসায়ী কামারছড়া বনবিটের ১৪ নম্বর সেকশনের সরকারী খাস ভূমি থেকে গাছ কেটে খন্ডাংশ করে রাখছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার সন্ধ্যায় কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে কমলগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক কৃষ্ণ মোহন দেবনাথ কমলগঞ্জ সদর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহশিলদারকে সাথে নিয়ে ঘটনাস্থলে অভিযান চালান। পুলিশি অভিযান টেরে পেয়ে গাছ ব্যবসায়ীরা দ্রুত স্থান ত্যাগ করলেও পুলিশ ২০ টুকরোয় প্রায় ১৩০ ঘনফুট পরিমাণ বেনজিয়াম ও আকাশমনি গাছ জব্ধ করেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কমলগঞ্জ সদর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের এক কর্মকর্তা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, কেটে রাখা গাছ জব্ধের সময় এলাকাবাসী জানিয়েছেন আব্দুর রশিদের নেতৃত্বে একদল গাছ ব্যবসায়ী জোর পূর্বক নিজের জমির গাছ দাবি করে এসব গাছ কেটেছে।
কমলগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক কৃষ্ণ মোহন দেবনাথ কামারছড়া সরকারী ভূমি থেকে কেটে নেওয়া গাছ উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাস্থল থেকে ৯ টুকরো কমলগঞ্জ থানায় এনে রাখা হয়েছে। বাকী ১১ টুকরো কামারছড়া বনবিট কর্মকর্তার জিম্মায় রাখা আছে। তিনি আরও বলেন, এখন সমূহ গাছ পরিমাপ করা হয়নি। তবে ধারনা করে বলা যায় ২০ টুকরোয় ১২০ থেকে ১৩০ ঘনফুট কাঠ হবে। অভিযোগ সম্পর্কে জানার চেষ্টা করেও আব্দুর রশিদকে পাওয়া যায়নি।
কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহমদুল হক কামারছড়ার সরকারী খাস ভূমি থেকে কেটে রাখা গাছের খন্ডাংশ উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি আরও বলেন, তদন্তক্রমে দায়ীদের বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা করা হবে।



মন্তব্য করুন