হাফিজা খাতুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে বকাটেদের উৎপাত, অবিভাবকরা আতঙ্কিত

রাসেল আহমেদ সাগর : মৌলভীবাজারের হাফিজা খাতুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে ছাত্রীদের বকাটেদের উৎপাত অবিভাবকরা আতঙ্কিত। কিন্তু এ বিষয়ে প্রশাসনের নেই কোন তৎপরতা।
স্কুলে যাবার সময় এবং আসার সময় বেশ কিছু বখাটে যুবককে মটর সাইকেল নিয়ে ঘুরতে ও দুই তিন জন করে বিভিন্ন জায়গায় দাড়িয়ে স্কুল পড়ুয়া কিশোরীদের ইভটিজিং করতে দেখা যায়। যাদের বয়স বেশির ১৬ থেকে ২০ বছরের ভেতরের মধ্যে। এদের বেপরোয়া আচরণে আতঙ্কিত পুরো স্কুলের ছাত্রী এবং অবিভাবকরা। শহরের একদম মধ্যেখানে অবস্থিত এই স্কুলটির পাশেই রয়েছে মৌলভীবাজার প্রেসক্লাব, একটু সামনে জেলা পরিষদ ভবন, ডানে ডিসি বাংলা, কোট ভবন। এতো গুরুত্বপূর্ণ সব স্থাপনা থাকা সত্ত্বেও নির্ভয়ে বুক ফুলিয়ে এসব বখাটেরা প্রেসক্লাব পয়েন্ট থেকে সুলতানপুর রাস্তার চিপাগলি দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। এটা একদিনের দেখা নয় প্রতিদিন এর চিত্র হাফিজা খাতুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের আশপাশের চিপাগলি ও শাহ মোস্তফা রোড টু পয়েন্ট পর্যন্ত।
জানা যায় প্রতিদিন সকাল ৯ থেকে ১০ এবং দুপুর ২:৫০ মিনিট থেকে ৩:৩০ মিনিট পর্যন্ত এসব বখাটে ছেলেদের বখাটেপনা অবাক করার মতো।
স্কুলে আসা অনেক অবিভাবক জানান আমরা শুধু চেয়ে দেখি কিন্তু ভয়ে কিছু বলতে পারিনা কারন যেখানে প্রশাসনের নজর দারি থাকার কথা সেখানে চোখ বুঝে আছেন উনারা। আমরা কথা বলে কি মেয়ের ইজ্জত সম্মান হারাবো? নাকি নিজের সব কিছু হারাবো?
অনেক অবিভাবক বলেন, এসব বখাটেদের ঘরে মনে হয় মা বোন নেই। এদের অবিভাবকের চরিত্র মনে হয় এদের মতো ছিলো, তা না হলে তাদের সন্তান কোথায় যাচ্ছে? কি করছে? অবশ্যই তদারকি করতো।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষকের সাথে কথা হলে তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমরা শিক্ষকরাও সব সময় আতংকিত থাকি। অনেক সময় স্কুল ছুটির সময় রাস্তায় দাড়িয়ে থাকি, আমাদের মেয়েদের ইভটিজিং এর হাত থেকে রক্ষা করার জন্য। এসব বখাটেদের সাথে তর্ক বা বিরৌধিতা করা কি আমাদের পক্ষে সম্ভব? আমাদের আশা এবং বিশ্বাস মৌলভীবাজার মডেল থানা এসব বখাটেদের বিরুদ্ধে যদি শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহন করেন তাহলে কিছু টা সুফল আসবে।



মন্তব্য করুন