মৌলভীবাজারে ৪৭৬ জন ভূমিহীনের জন্য তৈরি হচ্ছে পাকা ঘর

স্টাফ রিপোর্টার॥ মৌলভীবাজার সদর উপজেলায় ৪৭৬ জন ভূমিহীন লোকের জন্য দুইকক্ষ বিশিষ্ট দূর্যোগ সহনীয় ঘর নির্মান করছে উপজেলা প্রশাসন।
মুজিববর্ষের এই উপহার পাচ্ছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন প্রতিটি ঘরহীন মানুষকে ঘর তৈরি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের অধীনে বিভিন্ন কর্মসূচির আওতায় ঘরহীন পরিবারকে ঘর তৈরি করে দেওয়ার কার্যক্রম চললেও এটি হচ্ছে পৃথক কর্মসূচি। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী মুজিববর্ষ পালন উপলক্ষে সরকারের একটি বড় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সারা দেশের ৮ লাখ ৮২ হাজার ৩৩টি ঘরহীন পরিবারকে আধপাকা টিন-শেড ঘর নির্মাণ করে দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।
ইতপূর্বে ভুমিহীন লোকের তালিকা প্রণয়ন করে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে প্রেরণ করা হয়েছিলো। এখন সেই তালিকার ভুমিহীন ও গৃহহীন লোকদের দ্রুতই নতুন ঘর প্রদান করা হবে। ঘরের সাথে দুই শতাংশ জমি ও বন্দোবস্ত প্রদান করা হবে। প্রতিটি ঘরের নির্মাণ ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ১,৭১,০০০ টাকা।
এই বিষয়ে মৌলভীবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পি আই সি কমিটির সভাপতি শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ঘরের কাজ সমাপ্ত করে গৃহহীন মানুষকে ঘর বুঝিয়ে দেয়া হবে।’
এর আগে ভূমিহীন মানুষকে ঘর দেওয়ার লক্ষ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের একটি প্রকল্প প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অনুমোদন পেয়েছে। ২০২১ বছরের ১৭ মার্চের মধ্যেই এসব ঘরহীন মানুষকে নিজের ঘরে তুলে দেওয়া সম্ভব হবে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
২০২০ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এক আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা করেছিলেন, মুজিববর্ষে দেশে কোনও মানুষ গৃহহীন থাকবে না। সরকার সব ভূমিহীন, গৃহহীন মানুষকে ঘর তৈরি করে দেবে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে চলতি বছরের ১৭ মার্চ থেকে আগামী ২০২১ সালের ১৭ মার্চ পর্যন্ত সময়কে সরকার মুজিববর্ষ ঘোষণা করে। এই সময়ের মধ্যেই এসব ঘর নির্মাণ কাজ শেষ করতে চায় সরকার।
এর আগে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উদযাপন উপলক্ষে বঙ্গভবন থেকে সারাদেশে একযোগে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নবনির্মিত ১৭ হাজার পাঁচটি দুর্যোগ সহনীয় ঘরের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।



মন্তব্য করুন