ধর্ষণের শিকার কিশোরী : মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে

স্টাফ রিপোর্টার॥ তের বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গুরুতর আহত ওই কিশোরী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মৌলভীবাজার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) পরিমল দেব।
৮ মার্চ সোমবার বিকেলে বাড়িতে একা ছিল ওই কিশোরী। এই খবর জানতে পেরে তাদের পূর্বপরিচিত পার্শ্ববর্তী বাজারের ব্যবসায়ী বাবুল মিয়া (২৮) মেয়েটিকে ধর্ষণ করে।
রক্তাক্ত অবস্থায় কিশোরীকে উদ্ধার করে প্রথমে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যান স্থানীয়রা। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলৈজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
মৌলভীবাজার সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জিয়াউর রহমান জিয়া জানান, অভিযুক্ত ধর্ষক বাবুল মিয়াকে হবিগঞ্জ থেকে আটক করা হয়েছে। এই ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে মৌলভীবাজার মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
মৌলভীবাজার-২৫০ শয্যা হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ আহমদ ফয়সল জামান বলেন, রোববার ৭ মার্চ সন্ধ্যার পর ধর্ষেণের শিকার মেয়েটি গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে আসে। তখন তার প্রচণ্ড রক্তকরণ হচ্ছিলো। আমাদের চিকিৎসকেরা রক্তক্ষরণ বন্ধ করার চেষ্টা করছিলেন। ঘণ্টা খানেক চেষ্টার পর রক্তক্ষরণ বন্ধ হয়। তবে তখন একটা জটিল অপারেশনের প্রয়োজন ছিলো। লজিস্টিক সুবিধা না থাকার কারণে সেটা এখানে সম্ভব ছিলো না। পরে রাত ১০টার মধ্যে তাকে হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্সে করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে তার অস্ত্রোপাচার হয় ও আগের চেয়ে ভালো আছে। তিনি আরও বলেন, ২৪ ঘণ্টা না গেলে আশঙ্কামুক্ত বলা যাবে না। আমরা খুঁজ নিয়েছি। সে এখন পর্যবেক্ষণে রয়েছে।
মৌলভীবাজার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়াছিনুল হক জানান, আসামী বাবুল মিয়া ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে। বুধবার তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হবে।



মন্তব্য করুন