স্কলার্স ফাউন্ডেশনের জেলাব্যাপী মেধা যাচাই প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন

স্টাফ রিপোর্টার॥ ‘স্কলার্স ফাউন্ডেশন’ কর্তৃক আয়োজিত জেলাব্যাপী মেধা যাচাই প্রতিযোগীতা’ ১৯ এর ফলাফল ও পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে।
রবিবার ২১ মার্চ সকাল ১১ঘটিকার সময় পৌর জনমিলন কেন্দ্রে স্কলার্স ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান চৌধুরী মোহাম্মদ মেরাজের সভাপতিত্বে ও মহাসচিব তাকবীর হোসাইনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মিছবাহুর রহমান।
প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার পৌরসভার মেয়র মোঃ ফজলুর রহমান।
এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার পৌরসভার সদ্য অবসরপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল হোসাইন খান, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার জামাল উদ্দিন, সিনিয়র সাংবাদিক ও মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি বকশী ইকবাল আহমদ, সম্মিলিত সামাজিক উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি খালেদ চৌধুরী, মৌলভী সৈয়দ কুদরত উল্লা ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ শাহাব উদ্দিন, বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এইচ এম সাহাব উদ্দিন আহমেদ, জেলা মানবাধিকার কমিশন এবং জেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন আহমদ চৌধুরী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও শিক্ষানুরাগী শেখ মাহমুদুল হাসান, সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী মাহমুদুর রহমান প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্কলার্স ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান চৌধুরী মোহাম্মদ মেরাজ। এ সময় বক্তারা অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে করে বলেন, প্রত্যেক শিক্ষার্থীই মেধাবী। কিন্তু সব শিক্ষার্থী তার মেধার বিকাশ ঘটাতে পারে না। শিক্ষার্থীদের মেধার বিকাশের জন্য এ ধরনের মেধা যাচাই পরীক্ষা বা প্রতিযোগীতার কোন বিকল্প নেই। অনুষ্ঠানে ‘স্কলার্স’ ম্যাগাজিনের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। অতিথিরা জেলাব্যাপী মেধা যাচাই প্রতিযোগীতার আয়োজনের ভূয়সী প্রশংসা করে এধরণের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।অনুষ্ঠানে ৩য় শ্রেণি থেকে ১০ম শ্রেণির সর্বমোট ১০৪ জনকে নগদ অর্থ, সনদপত্র ও স্মাননা স্মারক তোলে দেওয়া হয়। তাছাড়া অনুষ্ঠানে স্কলার্স ফাউন্ডেশনের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য যে, স্কলার্স ফাউন্ডেশনের জেলাব্যাপী মেধা যাচাই প্রতিযোগিতা ২০১৯ সালের ২০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয়। যদিও ২০২০সালে এটির ফলাফল প্রকাশ করা হয় কিন্তু মহামারী করোনার কারণে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান স্হগিত ছিল।



মন্তব্য করুন