হাকালুকি হাওরের ‘হাওরখাল বিল’মনিটরিং সেলের সদস্যদের তদারকিতে মাছ আহরণ ও খাস কালেকশনের সিদ্ধান্ত
আব্দুর রব : হাকালুকি হওরের সর্ববহৃৎ ‘হাওরখাল’ জলমহালের খাস কালেকশন ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সহকারি কমিশনার (ভূমি)-কে প্রধান করে বিএনপি, জামায়াত, খেলাফত মজলিশ, এনসিপি ও গণঅধিকারের নেতৃবৃন্দের সমন্বয়ে গঠিত স্বেচ্ছাসেবক কমিটির (মনিটরিং সেল) প্রথম সভা শুক্রবার ২৮ নভেম্বর সন্ধ্যায় বড়লেখা উপজেলা পরিষদের সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও পৌরপ্রশাসক নাঈমা নাদিয়া।
সভায় সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দের সম্মডু ও পরামর্শক্রমে মনিটরিং সেলের প্রধান এসিল্যান্ড ও সদস্যবৃন্দের উপস্থিত তদারকিতে শনিবার হাওরখাল বিলের মাছ আহরণ ও খাসকালেকশনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক নির্দেশিত স্বেচ্ছাসেবক কমিটির সদস্য তালিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এখলাছুর রহমান, বর্নি ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক জয়নাল আবেদীন, সুজানগর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি নছিব আলী, প্রেসক্লাবের সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রব, সহসভাপতি খলিলুর রহমান, এনসিপি’র জেলা যুগ্ম আহ্বায়ক তামিম আহমদ, উপজেলা খেলাফত মজলিশের সভাপতি কাজী এনামুল হক, জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি আব্দুল্লাহ আল মাহফুজ, গণ অধিকারের কেন্দ্রীয় নেতা আব্দুন নুর তালুকদার, জামায়াতে ইসলামীর সদর ইউনিয়ন সভাপতি রবিউল ইসলাম সুহেল, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম আহমদ, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আব্দুল কাদির পলাশ, মৎস্যজীবি প্রতিনিধি আব্দুল মুকিত প্রমুখ।
সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও পৌরপ্রশাসক নাঈমা নাদিয়া জানান, হাওরখাল বিলের রক্ষণাবেক্ষন ও খাস কালেকশনে অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় দুইজন সহকারি ভূমি কর্মকর্তাকে ইতিমধ্যে দায়িত্ব থেকে অপসারণ করা হয়েছে। মাছ লুটপাটের ব্যাপারে থানায় মামলা হয়েছে। খাস কালেকশনের নানা অভিযোগের কারণে জেলা প্রশাসক স্যার বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বড়লেখায় এসে কিছু নির্দেশনা দিয়েছেন। সেই নির্দেশনা অনুযায়ি গঠিত মনিটরিং সেলের তদারকিতে মাছ আহরণ ও খাসকালেকশনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শনিবার তিনি-সহ কমিটির সদস্যরা হাওরখাল বিলে যাবেন এবং সরকারের মৎস্য সম্পদ রক্ষায় অন্যান্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিবেন।



মন্তব্য করুন