‘বাংলা নিউজ ২৪ডট কম. অনলাইনে’ ফরমায়েশি নিউজের প্রতিবাদ

July 4, 2017,

আপনার সম্পাদনায় বহুল পঠিত ‘বাংলা নিউজ ২৪ডট কম. অনলাইন পোর্টালে বাংলা নিউজের বিশেষ আয়োজন ‘মাঠে ঘাটে ভোটের কথা’য়’ ‘নাসের বেয়াদব’,‘সায়রা পরনির্ভরশীল’ শিরোনামে গত ২৮ জুন সময় ১৫:১৭ ঘন্টা প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের দৃষ্টি গোচর হয়েছে।
সংবাদটি স্পেশাল করেসপনডেন্ট সেরাজুল ইসলাম সেরাজ কর্তৃক পরিবেশিত। সংবাদটি কারো দ্বারা প্ররোচিত হয়ে কারো ব্যক্তিস্বার্থ ও রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের অসৎ উদ্দেশ্যে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এবং রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার হীনমানসে প্রকাশ করা হয়েছে। এ সংবাদটি সম্পূর্ণরুপে বানোয়াট,মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
এম নাসের রহমান প্রয়াত সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র। একধারে তিনি মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য। তাই মৌলভীবাজার জেলা বিএনপি প্রকাশিত এই সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে। প্রকাশিত সংবাদটি দেখে যে কারো মনে হয়েছে যে, এটি একটি ফরমায়েশি রিপোর্ট। এছাড়া রিপোর্ট এর হেডিংটাই আপওিকর শব্দ দিয়ে শুরু করা হয়। এই ধরনের নিউজ হেডিং মানহানিকর পর্যায়ে পড়ে।
তাছাড়া প্রকাশিত রিপোর্টটি তথ্যবহুলও নয়। নির্বাচনী এলাকার ভোটারদের সাথে কথা না বলেই প্রকাশ করা হয়েছে। তা পড়লেই সহজেই বোঝা যায়। এছাড়া নির্বাচনী এলাকার যে ভোটের হিসাব দিয়েছেন তাও সঠিক নয়।
সংবাদে বলা হয়েছে, ২০০৮ সালের নির্বাচনে এম নাসের রহমানকে পরাজিত করে সৈয়দ মহসীন আলী বিজয়ী হয়েছেন।  কিন্তু অবাক করার মতো বিষয় হল আদৌ এম নাসের রহমান ২০০৮সালে নির্বাচনে অংশ গ্রহণই করেননি। এ তথ্যটি সম্পূর্ণ মনগড়া ও বানোয়াট।
সংবাদে আরো লিখা হয়েছে ‘এম নাসের রহমানের তৃনমূলের সাথে সম্পৃক্ততা নেই। ১/১১পর এলাকায় আসেননি’। এটিও তথ্যবহুল নয়। গত ভোটার বিহীন নির্বাচনের পর থেকে প্রয়াত সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সভাপতি এম নাসের রহমানের নেতৃত্বেই মৌলভীবাজার জেলায় সরকারবিরোধী সকল আন্দোলন সংগ্রাম হয়েছে। যা মৌলভীবাজার বাসী ও দেশবাসী সকলে অবগত আছেন। সেদিনগুলোর প্রিন্ট মিডিয়ার নিউজ এবং ভিডিও ফুঁটেজ খোঁজ করলেই পাওয়া যাবে। এমনকি সরকার বিরোধী আন্দোলন দমিয়ে রাখতে গিয়ে এম নাসের রহমান এর বিরুদ্ধে বর্তমান সরকার রাজনৈতিকভাবে দমনপীড়নের উদ্দেশ্যে একাধিক মিথ্যা মামলা পর্যন্ত করেছে।
এম নাসের রহমান প্রতি সপ্তাহে তাঁর নির্বাচনী এলাকায় অবস্থান করে দলীয় নেতাকর্মী,সমর্থক ও সাধারণ মানুষদের খোঁজ খবর নিয়ে থাকেন।
এছাড়া সারা জেলায় বিএনপির নেতাকর্মীরা তার নেতৃত্বেই সুসংগঠিত করে তিনি দীর্ঘদিন ধরে জেলা বিএনপি’র সভাপতির মতো পদে আসীন হয়ে দলের গুরু দায়িত্ব পালন করছেন। রিপোর্টে একটি অংশে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘অন্যদিকে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী নাসের রহমান সম্পর্কে স্থানীয়রা একবাক্যে বলেছে তিনি একজন বেয়াদব’। একথার কোনও জনভিত্তি নেই। কে বলেছে,কারা বলেছে সংবাদে তাও উল্লেখ নেই। এ কথাগুলো কারো রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের হীন উদ্দেশ্যে সংবাদটিতে এ অংশটুকু জুড়ে দেয়া হয়েছে।
সংবাদে আরেক প্যারায় বলা হয়েছে,‘সিনিয়র যে কাউকে অপমান করতে তার একটুও বাধে না। যুবদল নেতা মতিন বক্স-কে লাঞ্ছিত করে বের করে দিয়েছিলেন। অনেক মুরুব্বীকে অপদস্ত করারও রেকর্ড রয়েছে তার’। সংবাদের এ অংশটিও ডাহা মিথ্যা ও বানোয়াট। কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সাংগঠনিক আলহাজ্ব মতিন বক্সকে লাঞ্ছিত করার মত মিথ্যা তথ্য পরিবেশন করে রাজনৈতিকভাবে তাকে হেয়প্রতিপন্ন করা হয়েছে। মতিন বক্স বর্তমানেও এম নাসের রহমানের নেতৃত্বে রাজনীতির কর্মকান্ডে সক্রিয় রয়েছেন। এছাড়া কোন মুরুব্বীকে তিনি অপদস্ত করেছেন তাও সংবাদে বলা হয়নি। তাই সম্পূর্ণ বানোয়াট ও মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে কাউকে রাজনৈতিক সুবিধা দিতে পক্ষপাতদুষ্ট হয়ে প্রকাশিত সংবাদে এ অংশ টুকু জুড়ে দেয়া হয়েছে’।
সংবাদে আরও বলা হয়েছে,‘বাবা সফল হলেও ছেলে নাসের রহমান বেশী সুবিধা করতে পারেননি। বিশেষ করে বদমেজাজের কারণে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন তিনি। এক এগারোর সময়ে দুর্নীতিতে অভিযুক্ত হয়ে জেলেও যেতে হয়’। সংবাদের এ অংশটুকুও ডাহা মিথ্যা বানোয়াট কল্পনাপ্রসুত। এম নাসের রহমান জনবিচ্ছিন্ন হলে বিএনপির মতো দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক সংগঠনের দীর্ঘদিন ধরে মৌলভীবাজার জেলার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন কিভাবে ?। এক এগারোর সময়ে তিনি দুর্নীতিতে অভিযুক্ত হয়ে জেলে যান এ তথ্যটিও সঠিক নয়। তৎকালীন সময়ে মঈন উদ্দিন ফখরুদ্দিন সরকার বাংলাদেশের বর্তমান ও সাবেক প্রধান মন্ত্রীসহ হেভিওয়েট রাজনীতিবিদদের যেভাবে বন্দী করেছিল। তারই ধারাবাহিকতায় তাকেও জেলে আটক রাখা হয়।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”

মন্তব্য করুন

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com