নিখোঁজের ৫ দিন পর কমলগঞ্জের সীমান্ত এলাকা পাহাড়ি ছড়া থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার

প্রনীত রঞ্জন দেবনাথ॥ নিখোঁজ হওয়ার ৫ দিন পর মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের ত্রীপুরা সীমান্তবর্তী ইসলামপুর ইউনিয়নের নওয়াগাঁও এলাকায় পাহাড়ি ছড়ায় নুরুল ইসলাম (২২) নামের এক মানসিক প্রতিবন্ধীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ২৪ ডিসেম্বর বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন নূরুল ইসলাম।
২৯ ডিসেম্বর রোববার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ ও ভারতের ত্রিপুরা সীমান্তের ৯৪/২৪ সীমান্ত খুঁটির নো-ম্যান্স ল্যান্ড এলাকার একটি তার লাশ পাওযা যায়। সে মুসলিম মণিপুরী সম্প্রদায়ের নওয়াগাঁও গ্রামের জোয়াদ আলীর বড় ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভারতের ত্রিপুরার কমলপুর এলাকার ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বিএসএফ সদস্যরা পাহাড়ি ছড়ায় তার লাশ দেখে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যদের খবর দেয়। বিজিবি সদস্যদের মাধ্যমে কমলগঞ্জ থানার পুলিশ রোববার সন্ধ্যার পর লাশ উদ্ধারের চেষ্টা করলে গভীর বনে লাশটি পড়ে থাকায় রাতে লাশ উদ্ধার করা যায়নি। সোমবার সকালে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত নূরুল ইসলামের ভাই সিরাজুল ইসলাম জানান, নিখোঁজের পর বিভিন্ন স্থানে তাকে খোঁজেও পাওয়া যায়নি। অবশেষে ২৯ ডিসেম্বর রোববার বিকালে চাম্পারায় চা বাগানের তৈলং বাড়ি এলাকার গভীর বনে নো-ম্যান্স ল্যান্ডের ভারতীয় সীমান্ত সংলগ্ন একটি পাহাড়ি ছড়ায় লাশের সংবাদ পাই। তার লাশ পড়ে থাকতে দেখে বিএসএফ কুরমা ক্যাম্পের বিজিবি সদস্যদের খবর দেয়। বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তার ছবি ধারণ করে এনে আমাদের দেখানোর পর তাকে সনাক্ত করি।
কমলগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুধীন চন্দ্র নাথ লাশ উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বিজিবির মাধ্যমে খবর পাই। গভীর বন এলাকায় থাকায় রাতে সেখানে গিয়ে লাশ উদ্ধার সম্ভব হয়নি। ৩০ ডিসেম্বর সোমবার সকালে লাশ উদ্ধারের পর ময়না তদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।



মন্তব্য করুন